জন্ম থেকে ১ বছর বয়সে খেলনা শিশুর ইন্দ্রিয়, নড়াচড়া, ভাষা, চিন্তা ও সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে। খেলনা বয়স ও সক্ষমতার সঙ্গে মানানসই এবং সম্পূর্ণ নিরাপদ হওয়া চাই।
-
বয়স ও বিকাশোপযোগী হতে হবে
শিশুর বয়স, শারীরিক ক্ষমতা, মানসিক বিকাশ ও আগ্রহ বিবেচনা করে খেলনা নির্বাচন করতে হবে। খুব জটিল খেলনা শিশুকে হতাশ করে, আবার খুব সহজ খেলনা আগ্রহ কমায়।
-
নিরাপদ হতে হবে
খেলনায় ছোট বা খুলে যাওয়ার মতো অংশ, ধারালো কোণা, কাচ, বিষাক্ত রং, আলগা সুতা বা ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকা যাবে না। প্যাকেটের বয়স-নির্দেশনা দেখে খেলনা কিনতে হবে।
-
শিক্ষামূলক ও বিকাশ-সহায়ক হতে হবে
খেলনা এমন হবে যা শিশুর দৃষ্টি, শ্রবণ, স্পর্শ, হাতের নড়াচড়া, হাত-চোখের সমন্বয়, ভাষা ও চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটায়। যেমন র্যাটল, নরম বল, রঙিন ছবি-বই, ব্লক।
-
সহজ ও ব্যবহারযোগ্য হতে হবে
খেলনাটি সহজে ধরা, নাড়া, ঠেলা বা সাজানো যায় এমন হওয়া উচিত। শিশুকে নিজের মতো করে খেলার সুযোগ দিতে হবে।
-
পরিষ্কার ও টেকসই হতে হবে
খেলনা ধোয়া বা মুছে পরিষ্কার করা সহজ হতে হবে। সহজে ভেঙে যায় এমন খেলনা এড়ানো উচিত।
-
আকর্ষণীয় কিন্তু অতিরিক্ত উত্তেজক নয়
রঙ, আকার ও শব্দ শিশুর কাছে আনন্দদায়ক হবে, তবে অতিরিক্ত জোরে শব্দ, ঝলমলে আলো বা ভয়ংকর আকৃতির খেলনা এড়িয়ে চলতে হবে।
-
অর্থনৈতিক ও উপযোগী হতে হবে
দামি খেলনাই সেরা নয়। নিরাপদ কাপ, নরম বল, কাপড়ের পুতুল, ছবি-বই ইত্যাদিও শিশুর বিকাশে কার্যকর। পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী উপযোগী খেলনা বেছে নিতে হবে।